একদিকে আইনের রক্ষাকর্তা,অপরদিকে কর্তব্যের পাশাপাশি পালন করলেন মানবিক কর্তব্য

481

নিউজসুপার,তানিয়া কুণ্ডু: – মারণ ভাইরাস নোবেল করোনা বা কোভিড ১৯ যখন তার জ্বাল বিস্তার করেছে গোটা বিশ্বে। বাদ নেই আমাদের এই বঙ্গজননী আমাদের রাজ্যে ইতিমধ্যেই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৮,তবুও স্বস্তির খবর এটাই যে ইতিমধ্যে সুস্থ ১২ জন।
করোনা মোকাবিলার একমাত্র উপায় লকডাউন যেটি কিনা এই মারণ ভাইরাসের চেনটাকে ভেঙে দিতে পারে,এবং এতে যে মানুষ উপকারিতা পাচ্ছে তা সত্যি কার্যকরী।
এটি যেন এক যুদ্ধ, কিন্তু এই যুদ্ধের আসল সৈনিক যারা তাদেরকে আমরা ক্যামেরার সামনে খুবই কম দেখি ।যেমন চিকিৎসক যারা অনবরত তাদের চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন,পুলিশ প্রশাসন যারা নিজের পরিবার পরিজনদের ছেড়ে প্রতিনিয়ত মানুষের সেবায় নিয়োজিত ।
আর এরকমই বহু পুলিশকর্মী বা আধিকারিকদের এই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে তাদের মানবিক রূপ আমরা দেখতে পাচ্ছি।
এমনই এক পুলিশ আধিকারিক কুন্তল মজুমদার যিনি একদা বীজপুর অঞ্চলের বীজপুর থানায় তিনি ছিলেন এবং স্বাভাবিকভাবেই বীজপুরের মানুষের সাথে পাশাপাশি বীজপুর প্রশাসনের সঙ্গে কর্মসূত্রে তার একটা যোগসূত্র থেকেই গেছে।
কিন্তু বর্তমানে তিনি স্থানান্তরিত হন বরানগর থানায় এস.আই পদে।
একজন পুলিশকর্মী হিসেবে তার যথাযথ ডিউটি পালন করার পরেও তিনি প্রতিদিন যে সকল মানুষের দিন গুজরান কর্মে না গেলে পয়সা হাতে না পেলে তাদের আহারের বন্দোবস্ত হয় না সেই সকল মানুষের জন্য প্রতিদিন তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে আহার তুলে দিচ্ছেন এই পুলিশকর্তা।
আমরা কিন্তু এই মানুষগুলোর মানবিক মুখগুলো দেখেও মনে করি এগুলোতো এনাদের কর্তব্য,কিন্তু যখন এই মানুষগুলোই লকডাউনেকে উপেক্ষা করে যে মানুষগুলো রাস্তায় জমায়েত করে তাদের যদি শাসন করতে যায় একজন পুলিশের প্রতিনিধি রূপে তখনই তাদের ওপর নেমে আসে মানুষের
ভ্রুকুটি তীর্যক মন্তব্য বিভিন্ন সোশ্যাল সাইটে।
কিন্তু একবার ভেবে দেখুন যে মানুষগুলো তাদের অফিসিয়াল কর্তব্যের পাশাপাশি এই অসমকালীন পরিস্থিতিতে প্রতিনিয়ত মানুষকে সজাগ সচেতন সুস্থ রাখতে চাইছেন সেই মানুষদের যদি প্রত্যেকে ভালোবাসার স্থান একটু মানুষ গুলোর পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে সরকারের দেওয়া নির্দেশ মেনে চলা ,তাহলে বোধহয় আমরা এই মারণ করোনা ভাইরাসকে হারিয়েই ছাড়ব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

thirteen − 11 =