সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে নজির গড়লেন বীজপুর প্রশাসন

117

নিউজসুপার ,তানিয়া কুন্ডু: – ‘জয়তু মা’ আজকের লেখা মাতৃ শক্তির মায়ের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়েই শুরু করলাম।
আমরা প্রত্যেকেই বর্তমানে এক শিক্ষণীয় বিষয়বস্তুর মধ্যে দিয়ে ধাবিত হচ্ছি ।আর সেটা হলো করোনা নামক এক অশুভ শক্তি।
মায়ের আগমন এবার এই করোনা আবহের মধ্যেই ঘটেছে।
কিন্তু আপামর বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব এই দুর্গোৎসব নিয়ম নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্তেও বছরের এই কটা দিন বাধ মানতে নারাজ বাঙালি।
করোনা নামক এই যুদ্ধকে পরাজিত করতে যেই যোদ্ধারা সর্বদা সামনের সারির জায়গা করে নিয়েছে, তারা হলেন চিকিৎসক এবং পুলিশ প্রশাসন।
সেটা আপনার যে কোনো সাহায্যের কথাই বলুন না কেন।
কিন্তু এই করোনাতে যেভাবে আর্থিক দিক দিয়ে আমাদের ভারতবর্ষ এক স্থিতাবস্থার মধ্যে পড়ে গিয়েছে,যে সকল মানুষের সমাজের আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে , তাদের অবস্থা আরো করুণ এই দুর্দিনে।
আর এই সকল মানুষের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেন বীজপুর পুলিশ।
আজ হালিশহর ভাগাড় সংলগ্ন এবং নাগদা আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য নতুন বস্ত্র উপহার দিয়ে সকলের মুখে হাসি ফুটিয়ে তুললেন বীজপুর প্রশাসন।
এই কর্মকান্ডের মূল দুজন উদ্যোগপতি হলেন বীজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আই. সি ত্রিগুনা রায় এবং প্লেন ক্লথ (পি.সি) ইনচার্জ অফিসার তাপস ধাড়া সহযোগিতায় অতিন মজুমদার সহ অন্যান্যরা।
পাশাপাশি এই করোনা আবহের মানুষের সচেতনতার বার্তা এবং মাস্ক বিতরণ বাল্যবিবাহ নিয়ে সচেতন ডেঙ্গু সচেতনতার বার্তাও দেওয়া হয় বীজপুর প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
এখানে একটা কথা না বললে আপনাদের সকলের কাছে যে বিষয়টি অধরা থেকে যাবে ,সেটি হল বীজপুর এমন একটি অঞ্চল যেখানে রাজনৈতিক চাপান উতোর অনবরত অবয়মান।
আমাদের প্রত্যেকের কাছেই জনতা কার্ফুর তারিখটি মনে আছে,যেদিন থেকে লকডাউন ঘোষিত হল সেদিন থেকে আনলক হওয়ার আগের দিন পর্যন্ত আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়া মানুষের মুখে অন্ন যে মানুষটি তুলে দিয়েছেন তিনি হলেন তাপস ধাড়া।
শুধু আহার ব্যবস্থাই নয়,ছোট শিশুদের জন্য সুষম খাদ্য ,ফল ইত্যাদি নিজে বাড়ি বাড়ি এলাকায় গিয়ে পৌঁছে দিয়েছেন।কিন্তু তাপস বাবু সকল কিছুই করেছেন লোকচক্ষুর আড়ালে কোনো প্রচারের সামনে নয়,তার কাছে এটি একটি সমাজের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে কর্তব্যরত বলে তিনি পালন করেছেন।
বীজপুরে স্বনামধন্য জনপ্রতিনিধি বলুন আর বদমায়েশ গুণ্ডাই বলুননা কেন প্রত্যেকের কাছেই এক অন্যতম নাম তাপস ধাড়া।কারণ তিনি দুষ্টের দমন আবার শিষ্টের পালন করেন।
২৩শে মে অনেক মানুষের ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরানো এবং নির্বাক অত্যাচারের হাত থেকে নিরীহ সাধারণ মানুষের পাশে থেকেছেন তিনি,অনেক মানুষকে নীরবে কোনো কিছুর সাহায্য তার কাছে চাইলে কখনো খালি হাতে ফেরাননি,এক কথায় আপামর বীজপুর বাসীকে শান্তির বাতাবরণে রাখার মুখ্য ভূমিকায় আছেন তাপস ধাড়া।
সত্যি,বাস্তবে এরকম অফিসাররাই নজির আমাদের বঙ্গে, যা কিনা মানুষের ধ্যানধারণাই পাল্টে দেন ।এরকম অফিসারদের প্রতি নিউজসুপারের পক্ষ থেকেও বিশেষ সাধুবাদ জানাই আমরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

one × four =